চুপ কর চঞ্চল !!

সময়ের স্রোতে ভেসে যায় জীবন।  আর কেটে যায় বছরের পর বছর।  চলে যায় শৈশব,  যৌবন,  আরও কিছু কিছু স্মতি।  
জীবনের যেই স্তর-ই পার করি না কেন,  একটা জিনিস খুব বেশি মনে পরে সকল স্তরে, সকল সময়।তা আমাদের চাঞ্চল্যতা।  এমন কোন ব্যাক্তি বোদহয় নেই, একবার হলেও শুনেনি যে সে খুব চঞ্চল।


"আবার জীবনে এমন একটা সময় আসে যখন এসে, সেই চঞ্চলতাকে খুব মিস করি "


জীবনের মিথ্যা অভিনয় অনেক থাকে কিন্তু এই চাঞ্চল্য গুলো কখনও মিথ্যা অভিনয় ছিলো না।

ছবি যতো মনের কথা বলে!  

১.চাঞ্চল্যতার প্রথম দাপটাই বোদহয় মা বাবা আর ভাই বোনদের মাঝে থেকে শুরু হয়।  ছবিটা তাই বলে, মা যখন যত্ন করে স্নান করাতেন,  তখন আমরা কতো দুষ্টামিই না করতাম।  উল্টে পেলে দিতাম পানি রাখার পাত্রগুলো।  আর বড় বোনের বকবকানি তো স্নানের পরে তেল ব্যাবহার করার মতো,  এটা থাকবেই।      

২. আহ্ ছবিটা দেখলেই সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পরে।  কতই না মার খেতাম মা এর হাতের।  ছড়া যখন শিখে যেতাম, তখন নিজেকে সেই জ্ঞানী ভাবতাম।আর উক্ত কবিতাটা তো কথাই নাই।  প্রতিদিনের মুখস্থ একবার বলতেই হতো।

৩.ছবিটা দেখলেই তার কথাটা মনে ভেসে উঠে,  সবার লাইফেই এমন একজন থাকে যার সাথে মিছে মিছি বৌ জামায় খেল খেলা হয়।  তাকে সবচাইতে একটু বেশী প্রধান্য দেয়া,  তার হাসির জন্য কচুরিপানার ফুল এনে দেওয়া, আর কতো স্মৃতিই ভেসে উঠে ছবিটা তে!  

৪.বৃষ্টির দিনের কখনও আটকে রাখা হয় নি নিজেকে ওই উঠানের কাদাঁ মাটি নিয়ে খেলা করা থেকে।  বৃষ্টি মাথার উপর নিজুম ঝড়ছে আর সাথে মায়ের মিষ্টি বকুনি।         

মন্তব্যসমূহ

সময়ের সেরা লেখার কানেকশন

বড় বোন

ভালবাসা

সুখ এবং পরিবার