পোস্টগুলি

2017 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

😛 আমি নই 😃

আমি জেনেছি তুমি আমার নও,  বারবার গিয়েছি কাছে, শুধুই অপচয়।

সম্পর্ক

"সম্পর্ক" শব্দটার সাথে অনেকগুলো সম্পর্কের বিরোধ হয় কখনো কখনো। যে সম্পর্কগুলো এতোদিন ভালোবাসার বলে দাবী করতো, আজ সেগুলো অভিমান করে মুখ ফিরিয়ে থাকে শুধুই নিজের স্বার্থের কারণে। সম্পর্ক ভুলে যায় কী পরম মমতায় মা তার সন্তানকে আগলে রেখেছিলো এতোটা কাল!! কতগুলো তুচ্ছ কারণেই সম্পর্কেরা নিজেদের মধ্যেও তৈরি করে দেয় দুরত্ব!! আবার কতগুলো সম্পর্ক ঘৃণায় বিষাক্ত হয়ে উঠে ক্রমশ। এমনি ভাবেই বিরোধ চলতে থাকে বন্ধুর সাথে বন্ধুর, প্রেমিকের সাথে প্রেমিকার, বাবার সাথে ছেলের,ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের, স্ত্রী র সাথে স্বামীর, এছাড়া আরো নানান সম্পর্কের মাঝে! . অথচ এরা সবাই ভালবাসা দিয়েই একদিন গড়ে তুলেছিল একটা সুন্দর সম্পর্ক। অনেকগুলো দিন ও ব্যয় করেছিল তাতে। তাহলে কেন তারা বিরোধ করে? কেন নিজেদের গড়া ভালোবাসাকে মিথ্যে প্রমাণিত করে? কেন জীবনের গোনা কয়েকটা দিনের আনন্দ তারা নিতে জানে না? কেন দীর্ঘদিন মনের কোণে জমিয়ে রাখা ক্ষোভ গুলোকে বিষিয়ে নীল করে তোলে?? কেন সম্পর্কের স্থান কখনো খুঁজে পাই বৃদ্ধাশ্রমে, কখনো বা আদালতে? উত্তরগুলো জানা নেই,সমাধানের উপায়ও জানা নেই! শুধু সম্পর্ক গুলোকে ফিরে পাবার আশায় থাকে মন! বির...

তুমি

কেন এতো মনে পড়ে তোমায়? তোমার কথা, হাঁসির শব্দ, তোমার খুনসুটির অভাব কেন আমায় এতো অস্থির করে তোলে!! তোমার না থাকা জুড়ে কেন আমার এই শুন্যতা? . ভালো তো অনেককেই বাসি, চারপাশের সবাই কে বাসি কারো জন্য তো এমন লাগেনা। সারাক্ষণ একজন মানুষ কে মনে পড়া সারাক্ষণ তার জন্য বুকের গভীরে কষ্ট অনুভব করা তার হাঁসি শুনে, তার কন্ঠ শুনে সারাদিন এক অচেনা আবেশে জড়িয়ে থাকা.... যে মানুষ টা পাশে না থেকে ও সবটা জুড়ে থাকে যার জীবনে আমার,অথবা আমার জীবনে তার কোন জায়গা নেই..... অথচ মনের সবটা জুড়ে সে,দিনের শুরু থেকে শেষ অবধি সে। . কষ্ট, ভালোলাগা, রাগ অভিমান,শুন্যতা, পূর্নতা সবটাই সে। এই অনুভূতির নাম আর যাই হোক প্রেম হতে পারে না, এ প্রেমের চেয়ে বেশি কিছু, বড় কিছু,বিশাল কিছু... . লিখেছেন- Lisa Haque

আমার আমি

‘আশ্চর্য অনুভূতির আখরে লেখা নাম’ জসীমউদ্দীনের আসমানি কবিতার একটা লাইন ছিল, বাড়িতো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি। এই লেখার ঘরখানা আমি খুব ভালো ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারতাম। বৃষ্টি হলেই আমাদের ঘরেও টুপটাপ পানি পড়ত। কাঁচা মাটির মেঝে আর পাতার বেড়া স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যেতো। আমরা তখন বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে আমাদের পাঠ্য বইগুলো প্ল্যাস্টিকের বস্তা দিয়ে বানানো বাজারের ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে রাখতাম। আম্মা বলতেন, ‘ওই ব্যাগে কাইল মাছ আনছস, বইয়ের থেকে মাছের গন্ধ আইব’। আমি বলতাম, মাছ আননের পর আবার গিয়া স্কুলের কদম গাছ থেকে ব্যাগ ভইরা কদম ফুল পাইড়াও আনছি। আসলে বইয়ের থেকে কদম ফুলের ঘ্রাণ আসবে। মাছের না’। আম্মা বলতেন, ‘কদম ফুলের আবার ঘ্রাণ কী রে? এই ফুল হইলো চির দুঃখী ফুল, এই ফুলের না আছে ঘ্রাণ, না এই ফুল দিয়া মালা বানানো যায়। ফুলে যদি মালাই না হইল, সেই ফুলের মূল্য কী?’ মূল্যহীন কদম ফুল তার মূল্য বোঝাতে পারেনা। পরদিন বই বের করলে মাছের আঁশটে গন্ধে বমি চলে আসে। বইগুলো আমি রোদে শুকাতে দেই। হাওয়ায় মেলে দেই। তারপর বাংলা বইখানা এক দু’পাতা খুলে দেখি। সমস্যা হচ্ছে, বাংলা ব...

ভালো থাকুক

ভালো থাকুক, ভালোবাসার খুঁনশুটিরা। ভালো থাকুক, ভালোবাসার টোনাটুনিরা। ভালো থাকুক, সকাল বেলা অফিস যাবোনা বায়না গুলো ভালো থাকুক, টোনাটুনির ছোট ছোট স্বপ্নগুলো। ভালো থাকুক, মধ্যরাতের ঝগড়ারা। ভালো থাকুক, ভালোবাসার হাতকড়া। ভালো থাকুক, চোখে মুখে দুষ্টুমির ছাপ। ভালো থাকুক, অবহেলার মন খারাপ। ভালো থাকুক, শহর তলির ছোট্ট বাসা। ভালো থাকুক, তোমার আমার ভালোবাসা।

আরও কিছু

ট্রেন চলছিলো ঘন্টায় ষাট কিলোমিটার গতিতে প্রিয়ন্তীকে একবারই দেখেছিলাম! খয়েরী শাড়ি আর ঘনকালো চুল। বাতাসে উড়ছিলো বেশ! আমি আর কিচ্ছু দেখিনি। হৃদয় কাড়া সেই হাসি, শান্ত অপরূপ একজোড়া চোখ! সত্যি বলছি আমি আর কিচ্ছু দেখিনি। প্রিয়ন্তীর হাতে কবিতার বই! জীবনানন্দ। প্রিয়ন্তী কি তবে কবিতা প্রেমী ছিলো! কবিতা পড়ার ফাঁকে জানালায় চোখ, তবে কি প্রিয়ন্তীও প্রকৃতি প্রেমী! প্রিয়ন্তী তোমাকে নিয়েও অনেক কবিতা লেখা হয়েছে, অনেকখানি আবেগ মিশে গেছে ডায়রির পাতায় পাতায়! সেই কবিতা কি পড়বে কোনদিন? ট্রেন ছেড়ে গেছে , নিয়ে গেছে প্রিয়ন্তী আর জীবনানন্দ, নিয়ে গেছে খয়েরী শাড়ী, এলো চুল, একজোড়া সর্বনাশী চোখ। আর কিছু কি নিয়ে গেছে সে? আর কিছু?

অনুভূতি

ছিন্নভিন্ন কিছু অভিমান গুলো জমাট বদ্ধ হয়ে যাচ্ছে সময়ের পর সময়.. দিনের পর দিন.. মাসের পর মাস। এক আকাশ নিঃসঙ্গতা আঁকড়ে ধরে ব্যাথা দিয়েই যাচ্ছে.... সুন্দর.. কত সুন্দর সব মূহুর্ত তারপরেও বিষাদের কালোছায়ায় বেদনার রাজত্ব। অস্বাভাবিক হৃদয়ের কম্পনে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরী করে চলেছে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ গুলোতে। . তবুও অপেক্ষা চলে যাচ্ছে। "অপেক্ষা" এই শব্দের গভীরতা যে, সমুদ্রের বিশালতার চেয়েও অনেকবেশী!! তবুও আমরা অপেক্ষা করি। তবুও আমরা ভালোবাসি.. ভালোবাসতেও ভালোবাসি।

রাজকুমারীর প্রতি

ছবি
প্রিয় রাজকন্যা রাজকুমারী, ভালবাসা কাকে বলে?  ভালবাসা কি? সেটা এতদিন জানা ছিল না।  যখন প্রথম তোমাকে দেখলাম ঠিক তখনই অনুভব করতে পারলাম ভালবাসাটা ঠিক কি? বুকের বাম পাশের শূন্যতা কি ভাবে মিটে যায়, তোমায় একটি বার দেখাতে কিংবা তোমার একটি এস এম এসে। তোমার দেখার পরই,  কেমন জানি ভিন্ন আমি হয়ে গেছি।আমাতে আমি  খুঁজে পাই না,  তোমাকে পাই।এখন স্বপ্ন দেখার জন্য ঘুমাতে হয় না,  কারণ আমার সমস্ত কল্পনা জুড়ে শুধু তুমি,  তুমিময়। স্বপ্ন আর কি চাই?  না। জানো মাঝে মাঝে মনে হয় যদি এমন হতো পৃথিবীটা, যেখানে শুধু তুমি আর আমি ছাড়া, কেউ নেই। দুজন দুজনার দিকে চেয়ে চেয়ে কাটিয়ে দিতাম সারাটা জীবন,  গভীর ভালবাসায়। আর জোছনা ভরা রাত,খোলা আকাশের নিচে তুমি আমার কুলে মাথা রেখে আবদার করছো,  ওই চাঁদটা আমি চাই!   আমি মুটো ভরে চাঁদের জোছনা মাকিয়েছি তোমার গায়ে। তুমি চন্দ্রীমার চন্দ্রাবতী সেজেছিলে সে দিন রাতেই। আরও কতো কিছু। সেদিন ই প্রথম বুঝা হয়েছিল,  ভালবাসার মানুষটা কি? তাকে ছাড়া নিজেকে কেন পাগল মনে হয়।  কেন পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে এই ভালবাসায়। জানো রাজকুমারী...

আমি যখন সর্বময়

ছবি
"সহস্র জীবন দিয়েছি পাড়ি,  সহস্র ভাবনায়, জীবন মানে শুধু দুঃখ নয়,নয়কো সুখের আশ, জীবন মানে একই সাথে সুখ দুঃখের মিশ্র চাষ।" ""অনিন্দ্য আমি,  আমি উন্মাদ,  আমিই আনন্দ, আমি নিরানন্দে করি বসবাস। আমি স্বপ্নচারী, আবার আমি নিশাচর, আমি ভাসি, আমি উড়ি ডানায় দিয়া ভর।""